কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: সোমবার, ২৮ মে, ২০১৮ এ ০৮:৩৫ AM

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যাবলী

কন্টেন্ট: পাতা

জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের কার্যাবলী

বাংলাদেশের জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের এখতিয়ার যথেষ্ট বিস্তৃত। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার চুক্তিসমূহ বাংলাদেশ যার পক্ষভুক্ত, ইত্যাদি দলিলপত্রে এই এখতিয়ার সংরক্ষিত। জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন ২০০৯ এর ধারা-১২ অনুযায়ী কমিশনের কার্যাবলী নিম্নরূপ-

  • দেওয়ানী কার্যবিধি, ১৯০৮ এর অধীন একটি দেওয়ানী আদালতের অনুরূপ ক্ষমতাবলে যে কোন ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘনজনিত অভিযোগের তদন্ত করা। কমিশনে অভিযোগ দায়ের না করা হলেও কমিশন স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে (suo moto) অভিযোগ গ্রহণ করতে পারবে;
  • জেলখানা, থানা হেফাজত ইত্যাদি আটকের স্থান পরিদর্শন করে তার উন্নয়নের জন্য সরকারের কাছে সুপারিশ করা;
  • হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ইত্যাদি সেবামূলক প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করে সে সবের উন্নয়নে সরকারকে সুপারিশ প্রদান;
  • দেশের প্রচলিত আইনের আওতায় স্বীকৃত ব্যবস্থাসমূহ পর্যালোচনা করে এর কার্যকর বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে সুপারিশ প্রদান;
  • মানবাধিকার বিষয়ক বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দলিলের ওপর গবেষণা করা এবং সেগুলোর বাস্তবায়নের জন্য সরকারকে সুপারিশ প্রদান;
  • আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের সঙ্গে দেশীয় আইনের সামঞ্জস্য ও সমন্বয় বিধানে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ;
  • মানবাধিকার বিষয়ে গবেষণা করা এবং শিক্ষা ও পেশাগত প্রতিষ্ঠানে উহাদের বাস্তবায়নে ভূমিকা পালন করা;
  • প্রচার, প্রকাশনা, সেমিনার, সিম্পজিয়াম, ওয়ার্কশপ এবং অনুরূপ অন্যবিধ ব্যবস্থার মাধ্যমে মানবাধিকার বিষয়ে জনসচেতনতা সৃষ্টি;
  • আপোষের মাধ্যমে নিষ্পত্তিযোগ্য কোন অভিযোগ মধ্যস্থতা ও সমঝোতার মাধ্যমে নিষ্পত্তি করা;
  • মানবাধিকার সংরক্ষণ সংক্রান্ত বিষয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যসহ  অন্যান্যদের প্রশিক্ষণ প্রদান করা;
  • মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনায় সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি/ সেবাপ্রার্থীকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও দিক নির্দেশনা প্রদান;
  • মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে আদালতে বিচারাধীন কোন মামলায় বা আইনগত কার্য ধারায় প্রয়োজনে পক্ষ হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা বা ভুক্তভোগীকে আইনি সহায়তা প্রদান করা।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন